1. Don.35gp@gmail.com : Editor Washington : Editor Washington
  2. masudsangbad@gmail.com : Dewan Arshad Ali Bejoy : Dewan Arshad Ali Bejoy
  3. jmitsolution24@gmail.com : Nargis Parvin : Nargis Parvin
  4. rafiqulmamun@yahoo.com : Rafiqul Mamun : Rafiqul Mamun
  5. rajoirnews@gmail.com : Subir Kashmir Pereira : Subir Kashmir Pereira
  6. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
  7. rafiqulislamakash@yahoo.it : Rafiqul Islam : Rafiqul Islam
  8. sheikhjuned1982@gmail.com : Sheikh Juned : Sheikh Juned
প্রসঙ্গে : আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২০ - Washington Sangbad || washington shangbad || Online News portal
শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

প্রসঙ্গে : আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২০

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২০
  • ১১০ জন সংবাদটি পড়েছেন।
লেখক : আনোয়ার ইকবাল কচি

আমার জন্মের দশ দিন আগে আইয়ুব খান মার্শাল ল দিয়ে পাকিস্তানের রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন। যে জন্যে জন্মের পর থেকে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়া পর্যন্ত গণতন্ত্র ব্যপারটা আমার কাছে কেবলমাত্র একটি আভিধানিক অভিব্যক্তি ছাড়া আর কিছুই হতে পারে নি। ১৯৭০ এর নির্বাচনের সময় প্রথমবারের মত আশা হয়েছিল, এবার হয়ত সেই সোনার হরিণের দেখা পাওয়া যাবে। পাওয়া যায় নি। গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্যে মুক্তিযুদ্ধ করতে হল। সেই যুদ্ধে আমরা জিতলামও। কিন্তু অধিকার বুঝে নেয়ার আগেই আমরা রহমান এবং হোসেনদের বদান্যতায় সেই অন্ধকারে আবার ফিরে গেলাম। নুর হোসেনের মত অসংখ্য দাপুটে যুবকেরা বুকের রক্ত দিয়ে সেটা পাল্টানোর চেষ্টা চালালো। তাদের সেই প্রচেষ্টার ফুল ফোটার আগে আমিই দেশ ছাড়লাম। জীবনের ২৪টি বছর, মুহূর্তের জন্যেও গণতন্ত্রের স্বাদ না পেয়েই। যখন উত্তর গোলার্ধের আমেরিকা নামের দেশটিতে এলাম, প্রথমবারের মত অনুভব করতে শুরু করলাম, গণতন্ত্র ব্যপারটা কি? এখানে আসার পরের বছর রোনাল্ড রেগানের পুনর্নির্বাচন। নির্বাচন কি তা ’৭২ থেকে ’৮২ পর্যন্ত যে ভাবে জানতাম, তাঁর চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অভিজ্ঞতা হল। বাঙালি আমেরিকান যাদের ভোটাধিকার ছিল, প্রশ্নে প্রশ্নে তাঁদের ব্যতিব্যস্ত করে যতটুকু বুঝলাম, সেটুকুতে মন ভরল না। নির্বাচন হচ্ছে অথচ একটিও মিছিল নেই, মিটিং যদি হয়, সেগুলোতে যাওয়ার ব্যাপারে মানুষের তেমন উৎসাহ নেই, খোলা জিপে অস্ত্র প্রদর্শনের হিড়িক নেই, গলায় ফুলের মালা নিয়ে রেগান কিংবা ওয়াল্টার মন্ডেলকে হাত জোড় করে পাড়ার রাস্তায় হাটতেও দেখা গেল না। এসব ছাড়া ইলেকশন হয়? হয়! হয়ে যেতে দেখলাম। সেটা ছিল ’৮৪ সালের নভেম্বর মাসের ৬ তারিখ। রাত পোহানর আগেই ফলও জানা গেল। কারচুপি, জোর জবরদস্তি করে ভোট দেওয়ানো, একজনের ভোট আরেকজনের দিয়ে দেয়া; এরকম কথা কেউ বলল না। যাদের সাথে আমার মেলামেশা ছিল, তাঁরা সবাইই ডেমোক্র্যাটিক দলের সমর্থক। তাঁদের প্রার্থী হেরে যাওয়াতে কারো কারো মন খারাপ হল বটে, কিন্তু কাউকে এজন্যে নাওয়া খাওয়াও ছেড়ে দিতে দেখলাম না। যুদ্ধংদেহী হয়ে কেউ রাস্তায় নামলো না। ইলেকশন শেষ, নির্বাচিত মানুষটিকে রাষ্ট্রপতি মেনে নিয়ে যে যার কাজে মন দিল। সেই নির্বাচনের পর, আরও আটটি নির্বাচন দেখার আর ছয়টিতে ভোট দেয়ার ভাগ্য হল। সেসবের ধাক্কায়, গণ-মানুষের মতামত কি ভাবে মেনে নিতে হয়, সেটা শিখে ফেললাম। হোঁচট প্রথমবারের মত খেতে হল ২০০০ সালের নির্বাচনে। কারণ সে বছর বুশ আর গোরের নির্বাচনী সিদ্ধান্তটি এলো দেশের সর্বোচ্চ আদালত থেকে। আমার পছন্দের প্রার্থী পরাজিত হয়েছিলেন, তিনি যখন সঙ্গে সঙ্গে সেটা মেনে নিলেন, তখন আমেরিকার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা না কমে বরং আরও খানিকটা বাড়ল।

এই অতিদীর্ঘ অবতারণা দিয়ে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে যেখানে আসতে চাইছি, এবার আসি সেই মূল কথায়। ২০১৬তে। সেই নির্বাচনে প্রার্থী দুজনের একজনও আমার পছন্দের তালিকায় নেই। শুধু ট্রাম্পের অসংলগ্ন, অসহিষনু ও অভদ্র কথাবার্তার জেরে আমাকে বেঁছে নিতে হল পছন্দ-অপছন্দের দোটানায় রাখা প্রার্থী হিলারিকে। হিলারি যখন হেরে গেলেন, তখন অনেকের সাথে আমারও কিছুটা মন খারাপ হল। কিন্তু মানুষের গণতান্ত্রিক রায়ের প্রতি অশ্রদ্ধা দেখানো কালচার থেকে বহু বছর আগেই বেরিয়ে এসেছি। আধভাঙ্গা মন সেই ফলাফলে আপত্তি জানালো না।
এই দেশটাকে নিজের দেশ বানিয়ে ফেলার পর, অধিকাংশ অধিবাসীর মত আমিও ডেমোক্র্যাটিক দলের সমর্থক হলাম। এটা যে নিজের অজান্তে স্বয়ংক্রিয় ভাবে হয়ে গেল তা নয়। অবচেতন মন কয়েকটা কারণে আমার পছন্দটি ওদিকে ঠেলে দিয়েছে। একেবারে বাল্যকালে মার্কিন যে প্রেসিডেন্ট আমাদের অনেকের আইডল ছিলেন, সেই জন এফ কেনেডি ডেমোক্র্যাটিক দলের লোক। অন্যদিকে, আমাদের মুক্তিযুদ্ধে রিচার্ড নিক্সন আর হেনরি কিসিঞ্জারের ভূমিকা দেখে রিপাবলিকান দল সম্পর্কে একটি বিরূপ মনোভাব গড়ে উঠেছে। এই দুটি ব্যাপারের সাথে যোগ হল সবার থেকে শোনা তথ্য, ডেমোক্র্যাটিক দল আমাদের মত অভিবাসীদের পক্ষে সবসময়।

দল যে ভাবেই বেছে নিয়ে থাকি, রিপাবলিকানদের বর্জন করার কোন কারণ কখনও খুঁজে পাই নি। তাঁরা আমাদের মত মানুষ, প্রতিবেশী, আত্মীয় কিংবা সহকর্মী। সবাই যে সব বিষয়ে একমত হবে এমন এমনিতেই আশা করা উচিৎ নয়। তাছাড়া, একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিরুদ্ধ-মতের অস্তিত্ব যদি না থাকে তবে সেই প্রক্রিয়াটি অসম্পূর্ণ রয়ে যায়। অতএব, ২০১৬তে পরিচিত জন যারা ট্রাম্পকে ভোট দিয়েছিল, তাঁদের প্রতি কোন বিদ্বেষ হয় নি। সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় পরিচালিত নির্বাচনে কারচুপি না করে বিজয়ী হয়েছে ট্রাম্প। সেটা মেনে না নেয়ার কোন কারণ নেই। সমস্যা শুরু হল নির্বাচন পরবর্তী সময়ে। নির্বাচনের পর, শপথ নেয়ার আগেই ট্রাম্প প্রশাসন রাস্ট্রব্যবস্থাপনার প্রস্তুতিতে নানান বিশৃঙ্খলা বাধিয়ে ফেলল। তাতেও পুরো আশাভঙ্গ হয় নি। যেহেতু ট্রাম্প নিজেও আশা করেন নি যে তিনি নির্বাচিত হবেন, মনে হল, বিজয়ী হয়ে যাওয়ার পর তাঁকে তাড়াহুড়ো করে এসবের ব্যবস্থা করতে হচ্ছে যেজন্যে এই অব্যবস্থা। শৃঙ্খলা সময়ে ফিরে আসবে। প্রত্যাশা আরেকটা ব্যাপারেও ছিল। নির্বাচন-কালে ট্রাম্পের আচরণ ও ভাষাচর্চা এত নিম্নমানের ছিল যে, কোন সভ্য দেশের রাষ্ট্রপ্রধান তো দুরের কথা এমনটি কেউ সাধারণ মানুষের কাছেও আশা করে না। অনেকেই ভেবেছিল, রাষ্ট্রক্ষমতা নেয়ার পর রাষ্ট্রপতির সম্মানিত আসনটিই তাঁকে শুধরে দেবে, ট্রাম্প অন্য সবার মত হবেন সব আমেরিকানের প্রেসিডেন্ট। গেল প্রায় চার বছরেও সেটা আর হল না। বরং, মহিলাদের অসম্মান, মানুষের দুর্বলতা নিয়ে টিটকারি দেয়া জাতীয় তাঁর বিভিন্ন বালখিল্য আচরণ দিনে দিনে প্রকটতর হয়ে উঠল। ব্যক্তি ট্রাম্পের এই ব্যবহার মেনে নেয়াই সবার জন্যে দুরূহ হয়ে পড়ল। সেই সাথে যোগ হল আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোতেও সেই একই রূপে তাঁর উপস্থিতি। যুগে যুগে দেশে দেশে আমেরিকা নিজ স্বার্থে একনায়ক তৈরি করে দিয়েছে। সেটাকে লালন পালন করাও আমেরিকার জন্যে নূতন কিছু নয়। তবু, আমেরিকার কোন রাষ্ট্রপতি কখনও প্রকাশ্যে কোন একনায়কের সাথে অতিরিক্ত মাখামাখি করেন নি। ট্রাম্প এই সমস্ত শিষ্ঠাচারের কোন ধার ধারলেন না। সৌদি বাদশাহ, কিংবা উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্টদের মত নিকৃষ্ট সমস্ত একনায়কদের এড়িয়ে চলার বদলে তিনি বন্ধুত্ব পাতালেন। রাষ্ট্রের চরম সংকটে, করোনা-কালীন সময়ে, রোম সম্রাট নিরোর বাঁশি বাজানোর মত তিনি গলফ খেলে বেড়িয়েছেন। নিজ দেশের নাগরিক অধিকারকে তৃতীয় বিশ্বের একনায়কদের মত অগ্রাহ্য করেছেন। প্রশ্ন হচ্ছে এত কিছু সত্ত্বেও তাঁর তৃণমূল সমর্থকেরা কেন তাঁর পাশ থেকে সরে যায় নি। এটা বিশ্লেষণ করার মত জ্ঞান বুদ্ধি আমার নেই। এ-সম্পর্কে নানা মুনির নানা মত রয়েছে। এরমধ্যে যেই আমার কাছে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মনে হয় তা এইরকম;
মূল সমর্থক, যাদের ট্রাম্প-এর ভিত বা ইংরেজিতে বেইস বলা হয়, তাঁরা আমেরিকার সার্বিক আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে যে অবস্থানে রয়েছে; তাঁদের জীবনযাত্রায় ডেমোক্র্যাটিক দলের নির্বাচনী কর্মসূচীর প্রভাব খুবই সামান্য। যেমন, সরকারি ব্যবস্থাপনায় সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা। শহরের বাইরে গ্রাম্য পরিবেশে যারা থাকে, তাঁরা অনেকে এই বিষয়টি বোঝেই না। এটা থাকলে কি সুবিধা হবে আর না থাকলে কি হবে বোঝার বদলে তাঁরা রিপাবলিকানরা সোজা ভাষায় বলেছেন এটা খারাপ, তাঁরা সেটাই মেনে নিয়েছে। এই প্রসঙ্গে আরও একটি কথা বলা দরকার, ডেমোক্র্যাটরা যে ভাষায় কথা বলে সেটা শহুরে পরিশীলিত ভাষা। গ্রাম আমেরিকাতে উচ্চমার্গের এই ভাষা বোঝার মানুষ কম। ট্রাম্প সেটা ভাল বোঝেন, তিনি যে ভাষায় আর যে শারীরিক অভিব্যক্তিতে কথা বলেন সেটা তাঁর বেইসের বুঝতে সুবিধা হয়। আর করোনা? সেটা গ্রাম এলাকায় ছুয়েছে কম। ট্রাম্পের বেইস যারা তাঁরা এটার ভয়াবহতা ঠিক মত বুঝতেই পারে নি। তাই করোনা যে কিছু নয় সেটা মেনে নিতে তাঁদের কোন অসুবিধেই হয় নি। যাক, আগের কথায় ফিরে আসি। ডেমোক্র্যাটরা ও বাইডেন ট্রাম্পের ট্যাক্স বাড়ানোর কথা বলে ভোটারদের তাঁর বিরুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করতে চেয়েছেন। ট্যাক্স নিয়ে ট্রাম্প সমর্থকদের কোন মাথাব্যথা নেই। কারণ এদের প্রায় সবাই সরকারি খাদ্য সহায়তায় জীবনযাপন করে আর আয় বিবেচনায় তাঁদের কোন ট্যাক্সই দিতে হয় না। তাই বলে ট্রাম্পের সব সমর্থকরা দীনহীন এমন কথা বলা খুবই অনুচিত হবে। মিলিওনিয়ার, বিলিওনিয়াররাও দু দলের সমর্থকদের মাঝে আছে। তাঁদের স্বার্থ দু দলই সমান তালে দেখে। অনেকে একদিক বেছে নেয়, কেউ দু দিকেই তাল দেয়। এদের সরাসরি ভোটে আমার মনে হয় না, নির্বাচনে কোন বড় পার্থক্য তৈরি করে বলে।

আমেরিকা প্রবাসী বাঙালিরা মূলধারার রাজনীতিতে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন করেন। রিপাবলিকান সমর্থক যে একেবারে নেই তা নয়। আছে; তবে সংখ্যা খুব বেশি নয়। আগেই বলেছি, গণতন্ত্রে ভিন্ন মত থাকতেই হবে। দু দলের সমর্থকদের এ নিয়ে বাহ্যিক বিবাদে জড়িয়ে পড়ার কোন যাওয়ার কোন কারণ নেই। ব্যাক্তিস্বার্থ কিংবা অন্য যে কারণেই এই দেশের একজন নাগরিক ট্রাম্পকে সমর্থন করুন, তাঁর মতবাদকে সম্মান দেখানো উচিৎ। কিন্তু ট্রাম্প তাঁর সমর্থকদের কিন্তু বাইডেনের পক্ষের লোক সম্পর্কে এ ধরণের কথা বলছেন না। নির্বাচনি আবহাওয়ার উত্তপ্ত হয়ে পড়ার এটা একটা কারণ।

শেষ করি অন্য কথায়। পরিচিত অনেকের মধ্যে একটা উদ্বেগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সেটা হচ্ছে, নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে কি এই দেশের রাষ্ট্র ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়তে পারে? তাঁদের বলি, সেটার সম্ভাবনা শূন্য। ফলাফল নিয়ে ট্রাম্প যে একটি খেলা খেলবেন তাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু, এই খেলা অনাদিকাল ধরে চলতে পারবে না। জানুয়ারি মাসের ১৯ তারিখ, রাত ১১:৫৯এ, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বর্তমান মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। ২০ তারিখ মধ্যরাতের শুরুতে আমেরিকায় নূতন মেয়াদের একজন প্রেসিডেন্ট আসতেই হবে। এটাই আইন এবং এই আইন ভাঙ্গার ক্ষমতা কারো নেই। ধরা যাক, নির্বাচনের ফলাফল প্রশ্নবিদ্ধ হওয়াতে ট্রাম্প ও বাইডেন, এই দুজনের কে প্রেসিডেন্ট হবেন এ নিয়ে কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো গেল না। তখন কি হবে? আমেরিকার সংবিধানে এই সম্ভাবনা বিবেচনা করা হয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে অচলাবস্থার সৃষ্টি হলে, কংগ্রেসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি (কিংবা সেই সময় যদি অন্য কেউ স্পিকার থাকেন) হবেন রাষ্ট্রপতি। ইলেকশন সম্পর্কে আইনগত কোন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি এই আসনে অধিষ্ঠিত থাকবেন। যখন সিদ্ধান্ত হবে তখন নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির হাতে দায়িত্ব তুলে দিয়ে তিনি আবার স্পিকারের পদে ফিরে যাবেন।

আনোয়ারুল ইকবাল কচি,
লেখক : প্রকৌশলী, কবি, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।

লেখকের ফেসবুকের ওয়াল থেকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Developed by : JM IT SOLUTION