1. Don.35gp@gmail.com : Editor Washington : Editor Washington
  2. masudsangbad@gmail.com : Dewan Arshad Ali Bejoy : Dewan Arshad Ali Bejoy
  3. almasumkhan4@gmail.com : Md Al Masum Khan : Md Al Masum Khan
  4. jmitsolution24@gmail.com : Nargis Parvin : Nargis Parvin
  5. rafiqulmamun@yahoo.com : Rafiqul Mamun : Rafiqul Mamun
  6. rakibbhola2018@gmail.com : Rakib Hossain : Rakib Hossain
  7. rajoirnews@gmail.com : Subir Kashmir Pereira : Subir Kashmir Pereira
  8. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
  9. rafiqulislamakash@yahoo.it : Rafiqul Islam : Rafiqul Islam
  10. sheikhjuned1982@gmail.com : Sheikh Juned : Sheikh Juned
এইচএসসি পরীক্ষার্থী ডিসির হস্তক্ষেপে শেষ মুহূর্তে পরীক্ষা দিল - Washington Sangbad || washington shangbad || Online News portal
বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ১২:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আশুলিয়ায় ৫০০ বাসাবাড়ির অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন! মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় পড়তে পারেন পুতিন ইউক্রেনে আক্রমণ হলে কমিউনিটি লিডার ও সাংবাদিক মকিস মনসুর ইউনিটি অব মৌলভীবাজার এর আহব্বায়ক নিবাচিত নিউজিল্যান্ডে প্রধানমন্ত্রীর বিয়ের অনুষ্ঠান বাতিল র‌্যাবের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে চিঠি মার্কিন দূতাবাস কর্মীদের দ্রুত ইউক্রেন ত্যাগের নির্দেশ প্রশিক্ষণ কোর্স উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব দীপু মনি পরিবারের বিরুদ্ধে সরকারের সাড়ে তিনশো কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ হারুন-ফাহাদ’ নেতৃত্বাধীন জেবিবিএ’র নতুন কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডব্লিউএইচও’কে আরও শক্তিশালী করার প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রের ‘না’

এইচএসসি পরীক্ষার্থী ডিসির হস্তক্ষেপে শেষ মুহূর্তে পরীক্ষা দিল

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১৯ জন সংবাদটি পড়েছেন।

এমডি আল মাসুম খান : ৩ ডিসেম্বর, ২০২১ শুক্রবার। নাটোর জেলার এইচএসসি পরীক্ষার্থী কলেজের বকেয়া টাকা পরিশোধ করতে না পারায় তাকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রবেশপত্র সরবরাহ করা হয়নি। নাটোর মহিলা কলেজ কেন্দ্র সচিবের কাছ থেকে খবর পেয়ে নাটোর জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিজে পরীক্ষা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ আগে ওই পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র নিয়ে বৃহস্পতিবারের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ করে দেন। পরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই পরীক্ষার্থীর বকেয়া টাকা কলেজ কর্তৃপক্ষকে পরিশোধ করা হয়।

দরিদ্র শিক্ষার্থী জরিপ আলী নাটোর সদর উপজেলার তেবাড়িয়া ইউনিয়নের বাঙ্গাবাড়ি গ্রামের মৃত সামসুদ্দিন মণ্ডলের ছেলে। তিনি সদরের চন্দ্রকোলা গ্রামের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। নাটোর মহিলা কলেজ কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার তার হিসাববিজ্ঞান পরীক্ষা ছিল।

এইচএসসি পরীক্ষার্থী জরিপ আলী জানায়, ২০১৮ সালে তার পিতা মারা গেছে। দরিদ্রতার কারণে সে অন্যের জমিতে শ্রমিক হিসেবে কৃষিকাজ করে। সংসার চালাতে গিয়ে সে কলেজের সেশন ফিসহ পরীক্ষার ফিসের পুরো টাকা দিতে পারেনি। গত শনিবার কলেজে গিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রবেশপত্র চাইলে কলেজের করণিক তাকে টাকা বকেয়া থাকায় প্রবেশপত্র দেননি। উপায় না পেয়ে সে বাড়ি ফিরে আসে। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় নাটোর মহিলা কলেজ কেন্দ্রে তার প্রথম পরীক্ষা শুরু হয়। সময় মতো নাটোর মহিলা কলেজ কেন্দ্রে আসলেও প্রবেশপত্র না থাকায় সে সাহস করে পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশ করেনি। পরীক্ষা শুরু হওয়ার প্রায় সোয়া ঘণ্টা পর বিষয়টি কেন্দ্র সচিবের নজরে আসে। পরে নাটোরের জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বিষয়টি জানালে তিনি সঙ্গে সঙ্গে ওই কেন্দ্রে এসে তার পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য পরীক্ষা শেষ হওয়ার আনুমানিক ১০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থী জরিপ আলী পরীক্ষা দিতে শুরু করে। সময় স্বল্পতার কারণে সে সব প্রশ্নের উত্তর লিখতে পারেনি বলে উপস্থিত গনমাধ্যমের সাংবাদিকদের জানায়।

পরীক্ষার্থী জরিপ আলী পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য সে নাটোর জেলা প্রশাসককে ধন্যবাদ জানায়।

কেন্দ্র সচিব গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের জানান, পরীক্ষা শুরু হওয়ার বেশ কিছু সময় পর তিনি পরীক্ষকদের মাধ্যমে একজন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত আছে বলে জানতে পারেন। পরে খোঁজ নিয়ে মোবাইল ফোনে ওই ছাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ইতোমধ্যে বিষয়টি জেলা প্রশাসক অবগত হয়ে যান। জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিক তার কেন্দ্রে চলে আসেন।

জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় জরিপ আলী নামের ওই পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। তবে বিলম্বের কারণে তাকে পুরো সময় দেওয়া সম্ভব হয়নি। জেলা প্রশাসক ওই পরীক্ষার্থীর বকেয়া কলেজ ফি বাবদ দুই হাজার ১০০ টাকা কলেজকে পরিশোধ করেছেন। তবে তিনি দাবি করেছেন ১০ মিনিট নয়, আধা ঘণ্টা আগে তাকে কেন্দ্রে প্রবেশ করানো হয়েছিল।

এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কলেজের অধ্যক্ষ জানান, জরিপ আলী প্রবেশপত্র না পাওয়ার বিষয়টি তাকে অবগত করেনি। তাই জরিপ আলীকে সহযোগিতা করার কোনো সুযোগ তিনি পাননি।

নাটোরের জেলা প্রশাসক জানান, জরিপ আলীর বাবা নেই মাও মানসিক রোগী। টাকার অভাবে সময়মতো পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারার খবর শুনে তাৎক্ষণিক তিনি তার পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছেন এবং কেন্দ্রে গিয়ে ব্যক্তিগতভাবে তার কলেজের পাওনাদি পরিশোধ করে দিয়েছেন। কিছুটা দেরিতে পরীক্ষা শুরু হলেও এমন দরিদ্র পরিবারের সন্তানের একটি বছর নষ্ট হোক তিনি কোনোভাবেই তা হতে দিতে চাননি। কেন সময় মতো ওই পরীক্ষার্থী প্রবেশপত্র হাতে পেলেন না এ বিষয়টিও তিনি খতিয়ে দেখবেন বলে জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Developed by : JM IT SOLUTION