1. Don.35gp@gmail.com : Editor Washington : Editor Washington
  2. masudsangbad@gmail.com : Dewan Arshad Ali Bejoy : Dewan Arshad Ali Bejoy
  3. almasumkhan4@gmail.com : Md Al Masum Khan : Md Al Masum Khan
  4. jmitsolution24@gmail.com : Nargis Parvin : Nargis Parvin
  5. rafiqulmamun@yahoo.com : Rafiqul Mamun : Rafiqul Mamun
  6. rakibbhola2018@gmail.com : Rakib Hossain : Rakib Hossain
  7. rajoirnews@gmail.com : Subir Kashmir Pereira : Subir Kashmir Pereira
  8. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
  9. rafiqulislamakash@yahoo.it : Rafiqul Islam : Rafiqul Islam
  10. sheikhjuned1982@gmail.com : Sheikh Juned : Sheikh Juned
খুলনায় জমজমাট অনুমোদনহীন আবাসন ব্যবসা - Washington Sangbad || washington shangbad || Online News portal
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ বিমানে নিউইয়র্ক সফর করার ব্যাখ্যা দিয়েছেন একজন রোহিঙ্গাকেও ফেরত পাঠানো যায়নি: জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রবাসী বাংলাদেশীদের দেশে বিনিয়োগে করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুক্তি পেল বাচিক শিল্পী অদিতি ও সত্যজিতের কণ্ঠে রবীন্দ্রনাথের কবিতা সংকলন সোনাজয়ী প্রিয়াঙ্কার আঙুলের অস্ত্রোপচার করাতে গিয়ে মৃত্যু; স্বজনদের দাবি অবহেলায় মৃত্যু বাংলাদেশে স্পর্ট মার্কেট থেকে উচ্চ দামে এলএনজি কিনছে আমেরিকান এয়ারলাইনস ও জেটব্লুর চুক্তি নিয়ে বিচার বিভাগের মামলা এশীয়দের বার্ষিক খাদ্য ব্যয়ে ৮ লাখ কোটি ডলার প্রয়োজন নাসার মনুষ্যবিহীন মহাকাশযান মঙ্গল গ্রহে ৩ টি ভূমিকম্পের তথ্য পাঠিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সুপার মার্কেটে বন্দুক হামলায় নিহত ১, আহত ১২ জন

খুলনায় জমজমাট অনুমোদনহীন আবাসন ব্যবসা

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২৩ জন সংবাদটি পড়েছেন।

এমডি আল মাসুম খান : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ শুক্রবার । অনুমোদনহীন আবাসন ব্যবসার  সাইনবোর্ড খুলনা মহানগরী ও নগরীর বাইরে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মাস্টার প্ল্যানের আওতাধীন এলাকায় অনুমোদনের তোয়াক্কা না করেই গড়ে উঠছে একের পর এক আবাসন প্রকল্প ও ফ্ল্যাট ব্যবসা। চটকদারি বিজ্ঞাপন আর বাহারি সাইনবোর্ড দিয়ে এসব প্রকল্পের জমি ও ফ্ল্যাট কিনতে আকৃষ্ট করা হচ্ছে ক্রেতাদের। অপরিকল্পিত ভাবে আবাসন প্রকল্প গড়ে ওঠলেও ভবিষ্যতে নাগরিক সুযোগ সুবিধার ব্যাঘাত সৃষ্টি, পরিবেশ বিপর্যয় ও জননিরাপত্তাসহ নানা ধরনের সমস্যার সম্ভাবনা রয়েছে। কেডিএ পরিকল্পনা বিভাগের সূত্র জানায়, কেডিএ এর মাস্টার প্ল্যানের অধীনে রয়েছে মহানগরীর উত্তরে যশোরের নওয়াপাড়া পৌর এলাকার উত্তর সীমানা, দক্ষিণে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার কাটাখালী, পূর্বে রূপসা উপজেলার সম্পূর্ণ অংশ ও পশ্চিমে ডুমুরিয়া উপজেলার কৈয়াবাজার পর্যন্ত এলাকা। এসব এলাকার মধ্যে কোনো ধরনের আবাসিক প্রকল্প গড়ে তুলতে কেডিএর অনুমোদন নেয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু অর্ধশতাধিক আবাসন প্রতিষ্ঠান এবং শতাধিক বাণিজ্যিক ফ্ল্যাট ব্যবসায়ীদের অনুমোদন না থাকলেও তারা প্লট ও ফ্ল্যাট বিক্রি করছে। কেডিএর টাউন প্ল্যানিং শাখা জানায়, রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০ অনুযায়ী আবাসন প্রকল্প গড়ে তুলতে প্রাথমিক ভাবে উদ্যোক্তা ও পরামর্শক নিবন্ধন করতে হয়। যার জমি তিনি হচ্ছেন উদ্যোক্তা এবং পরামর্শক (বিশেষজ্ঞ) হচ্ছেন পরিকল্পনাবিদ ও স্থপতি। এরপর ট্রেড লাইসেন্স (ব্যবসার অনুমতিপত্র), করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) ও মূল্য সংযোজন করের (ভ্যাট) নিবন্ধন নম্বর লাগবে। এছাড়া বিশেষজ্ঞদের নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন থাকতে হয়।সরেজমিনে দেখা গেছে, কেডিএর আওতাধীন এলাকায় বিভিন্ন আবাসন প্রকল্পের নামে নগরীর গড়ে উঠেছে। এসব প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের কাছে ২, ৩, ৫ ও ১০ কাঠার প্লট বিক্রি করছে। এসব প্রকল্পের কেডিএর অনুমোদন আছে কিনা, তা না জেনেই অনেকে প্লট কিনছেন। অধিকাংশ প্রকল্পে যে পরিমাণ প্রশস্ত সড়ক থাকার কথা তাও নেই। অন্যান্য সুযোগ সুবিধার কোন কিছুই নেই বললেই চলে। অনুরূপভাবে আইন লঙ্ঘন করেই চলছে ফ্ল্যাট ব্যবসায়ীরা।


রায়ের মহল, বিশ্বরোড, মোস্তফার মোড় হইতে কৈয়া সড়ক, হ্যাচারি রোড,আবু নাসের হাসপাতালের সামনের লিংক রোড হইতে বিশ্বরোড,
জিরো পয়েন্ট এলাকায় গড়ে উঠা প্রকল্পসহ বিভিন্ন প্রকল্পে গিয়ে দেখা যায়, এক/দুই একর জমি নিয়ে ছোট ছোট আবাসন প্রকল্প গড়ে তুলে প্লট বিক্রি চলছে। একাধিক আবাসন প্রকল্পের মালিকরা স্বীকার করছেন, তাদের আবাসন প্রকল্প কেডিএর কাছ থেকে কোনো অনুমোদন নেয়নি। বাসাবাড়ি নির্মাণের অনুমোদন নিয়ে নির্মিত ভবন গুলোতে ফ্ল্যাট ব্যবসা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। কেডিএ এর বিশ্বস্ত সূত্রে গেছে, কৌশলে দু`একজন ব্যক্তি বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তি ও সংস্থাকে ম্যানেজ করে অবৈধ প্রকল্পের অনুমোদন নেয়ার তদবির করছেন। অবৈধ আবাসন প্রকল্প গড়ে উঠার বিষয়ে কেডিএ দায় এড়াতে পারে না। কেডিএ এর মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী ও অনুমোদিত আবাসন এলাকায় জমি বা প্লট কিনলে স্থাপনা তৈরি করতে নানা ধরনের আইনি প্রক্রিয়ায় রয়েছে। কেডিএ বিভিন্ন সময়ে জনগণ যাতে প্রতারিত না হন, সেজন্য আবাসন প্রকল্পের বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও উদ্যোক্তাদের আইন ও বিধি মানার আওতায় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছিল। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায় ফ্ল্যাট ব্যবসা করতে রিহ্যাবের নীতিমালা মানতে হবে। খুলনাতে আবাসন প্রকল্পগুলো ইচ্ছেমতো গড়ে উঠছে। নীতিমালা অনুযায়ী নির্দিষ্ট রাস্তা, খেলার মাঠ, পার্ক বা বিনোদনের স্থান নেই তাদের। কয়েকটিতে তো জলাশয়ে বালু ভরাট করেই আবাসন প্রকল্প বানিয়েছে। এগুলো কেডিএর দেখার দায়িত্ব। ভবিষ্যতে নাগরিক দুর্ভোগ সৃষ্টির দায় দায়িত্ব কেডিএ এড়িয়ে যেতে পারে না। পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বলেন, অপরিকল্পিত আবাসন প্রকল্পের কারণে ভবিষ্যতে পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে। পানির প্রবাহ আছে কিনা ও সংশ্লিষ্ট এলাকার মাটির অবকাঠামো ধারণ করার ক্ষমতা আছে কিনা, সেটা যাচাই করে দেখতে হবে। যেভাবে খাল, বিল ও জলাশয় ভরাট করে প্রকল্প গড়ে তোলা হচ্ছে তাতে স্থায়ী জলাবদ্ধতা ও ভূমিকম্পনে ধসের মতো ভয়াবহতাও দেখা দিতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Developed by : JM IT SOLUTION