1. Don.35gp@gmail.com : Editor Washington : Editor Washington
  2. masudsangbad@gmail.com : Dewan Arshad Ali Bejoy : Dewan Arshad Ali Bejoy
  3. almasumkhan4@gmail.com : Md Al Masum Khan : Md Al Masum Khan
  4. jmitsolution24@gmail.com : Nargis Parvin : Nargis Parvin
  5. rafiqulmamun@yahoo.com : Rafiqul Mamun : Rafiqul Mamun
  6. rakibbhola2018@gmail.com : Rakib Hossain : Rakib Hossain
  7. rajoirnews@gmail.com : Subir Kashmir Pereira : Subir Kashmir Pereira
  8. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
  9. rafiqulislamakash@yahoo.it : Rafiqul Islam : Rafiqul Islam
  10. sheikhjuned1982@gmail.com : Sheikh Juned : Sheikh Juned
বাংলাদেশের সবজি রপ্তানি যুক্তরাষ্ট্রসহ ৬ দেশে - Washington Sangbad || washington shangbad || Online News portal
সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশের সবজি রপ্তানি যুক্তরাষ্ট্রসহ ৬ দেশে

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ৫ আগস্ট, ২০২২
  • ৪০ জন সংবাদটি পড়েছেন।

এমডি আল মাসুম খান : ৫ আগস্ট, ২০২২,শুক্রবার। বাংলাদেশ থেকে অর্গানিক পদ্ধতিতে সবজি উৎপন্ন করে সেই সবজি রপ্তানির সিংহভাগই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ ৬ দেশে যাচ্ছে। উল্লেখ্য বাংলাদেশ থেকে তাজা সবজি রপ্তানি হচ্ছে বিশ্বের ৪০টির বেশি দেশে। তবে দুঃখজনক হচ্ছে বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের সবজির বাজারের ব্যাপ্তি খুবই সীমিত। এর অন্যতম কারণ দীর্ঘদিন ধরেই সবজি রপ্তানির বড় একটি অংশ যাচ্ছে ছয়টি দেশে। পৃথিবীর অন্য দেশগুলো থেকে যে রপ্তানি আয় হচ্ছে তা হিসাবের তুলনায় খুবই নগণ্য। বাংলাদেশের রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য বলছে, বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি সবজি রপ্তানি আয় আসা ছয়টি দেশ হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, কাতার, যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব ও কুয়েত। এর বাইরে ইতালি, সিঙ্গাপুর, বাহরাইন, সুইডেন, কানাডা, জার্মানির মতো অন্যান্য ৩৫টির বেশি দেশ থেকে সবজি রপ্তানির আয় আসছে মোট রপ্তানির মাত্র ২০ শতাংশ। ইপিবির সবজি রপ্তানি আয়ের তথ্য বিশ্লেষণ করে এ চিত্র পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশের ইপিবির প্রতিবেদনে দেখা যায়, বাংলাদেশ থেকে গত অর্থবছর (২০২০-২১) ১১ কোটি ৮৭ লাখ ডলারের (ইউএস) সবজি বিদেশে রপ্তানি হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে তাজা সবজি রপ্তানি করে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আয় এসেছে ২ কোটি ৮৩ লাখ ডলার, যা মোট রপ্তানি আয়ের ২৪ শতাংশ। এরপর ২ কোটি ৩৩ লাখ ডলারের সবজি গেছে মালয়েশিয়ায়, যা মোট রপ্তানির ২০ শতাংশ। মোট রপ্তানির ১২ শতাংশ গেছে কাতারে অর্থাৎ ১ কোটি ৪৩ লাখ ডলার।


তবে আশার আলো হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তাজা সবজি গেছে ১ কোটি ২৬ লাখ ডলারের, যা মোট রপ্তানির সাড়ে ১০ শতাংশ। পঞ্চম দেশ হিসেবে মোট আয়ের ৮ শতাংশ এসেছে সৌদি আরব থেকে। গত অর্থ বছর সৌদি আরবে ৯৩ লাখ ডলারের সবজি রপ্তানি হয়েছে। এছাড়া কুয়েতে রপ্তানি হয়েছে ৫৮ লাখ ডলারের সবজি, যা মোট রপ্তানির ৫ শতাংশ। গত অর্থবছর নয়, তার আগের বছরের তথ্যও বলছে একই চিত্র। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১৬ কোটি ৩৯ লাখ ডলারের সবজি রপ্তানি আয় হয়েছিল। এর মধ্যে ৩৬ শতাংশ আয় হয় সৌদি আরব থেকে। এরপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২০ শতাংশ, আরব আমিরাত থেকে ১১ শতাংশ, মালয়েশিয়া থেকে ৮ শতাংশ ও কুয়েত থেকে ৪ শতাংশ রপ্তানি আয় আসে।

উল্লেখ্য বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সবজি রপ্তানি হলেও আয়ের সিংহভাগই কেন ছয়টি দেশে আটকে আছে এর এক গবেষণায় দেখা যায় বাংলাদেশ থেকে আমাদের রপ্তানিখাত বারবার হোঁচট খাচ্ছে। সম্ভাবনা থাকলেও আমরা নতুন নতুন বাজার ধরে রাখতে পারছি না। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ও পাকিস্তান সেটা দখল করে নিচ্ছে। বাংলাদেশের সবজির বাজার বড় না হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ আকাশপথে পরিবহন মাত্রা অতিরিক্ত খরচ ও বন্দরের অভাব। বাংলাদেশের সবজি রপ্তানির প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দেশ ভারত ও পাকিস্তান অনেক সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে। ওদের ভাড়ার কারণে খরচ বেশ কম। আমরা কাছাকাছি যে দেশে বিমানে সবজি পাঠায় সেখানে ভারতের বোম্বে থেকে জাহাজে সবজি রপ্তানি করে। তখন যে বাজারগুলো আমরা তৈরি করি, কম দাম দিয়ে তারা সেটা দ্রুত ধরে নেয়। কারণ তাদের খরচ কম। কম হওয়ার কারণে তারা পুষিয়ে নিতে পারে।

বাংলাদেশের রপ্তানিকারক বলেন আমরা ওমানে সবজি রপ্তানি বেশ বাড়িয়েছিলাম। এখন সেই বাজার ধরে নিয়েছে ভারত। তারা বোম্বে থেকে সরাসরি জাহাজে তিনদিনের মধ্যে সবজি পাঠাচ্ছে। যেখানে আমাদের আকাশপথে কেজিপ্রতি খরচ ৬ ডলার, আর ভাটতের খরচ ১ ডলার। এমন অনেক দেশেই হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতেও আমরা ক্রমাগত পিছিয়ে যাচ্ছি।

বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা বলছেন, সবজি রপ্তানির শুরু থেকে বাংলাদেশের যত সবজি সারাবিশ্বে রপ্তানি হতো, তার প্রায় অর্ধেকেরই গন্তব্য ছিল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে। প্রতি বছরই এসব দেশে সবজি রপ্তানি বেড়েছে। কিন্তু এখন ফ্রেড সমস্যায় চ্যালেঞ্জ বাড়ছে। ফলে নজর দিতে হচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোতে। দীর্ঘদিন ধরে বিমানের বাড়তি ভাড়ার কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষিপণ্য রপ্তানিকারকরা। সবজির বিশ্ববাজারে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের পণ্যগুলোর ধরন একই। তিন দেশের রপ্তানির গন্তব্যও একই। কিন্তু ভারত-পাকিস্তানের ভাড়া ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বেশি হওয়ায় বিদেশি ক্রেতারা তাদের থেকেই বেশি পণ্য কিনছেন। সম্ভাবনা সত্ত্বেও পিছিয়ে পড়ছেন বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা।বাংলাদেশ থেকে নানা ধরনের সবজি রপ্তানি হয়। এর মধ্যে বেশি রপ্তানি হচ্ছে লাউ, কুমড়া, পটল, বেগুন, ঢেঁড়শ, আলু, পেঁপে, চিচিঙ্গা, কাঁকরোল, কাঁচামরিচ, বরবটি, শিম, টমেটো ও বিভিন্ন ধরনের শাক। পচনশীল বলে আলু ছাড়া এসব পরিবহন করতে হচ্ছে কার্গো বিমানে।

উল্লেখ্য বিশ্বে প্রবাসী বাংলাদেশি রয়েছেন প্রায় এক কোটি। এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতেই আছেন অর্ধেকের বেশি। সেসব দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিরাই এসব সবজির বড় ক্রেতা। পাশাপাশি ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমারের প্রবাসীরাও এ দেশের সবজি খাচ্ছেন। এখন মধ্যপ্রাচ্যের ক্রেতারাও কমবেশি কিনছেন। বাংলাদেশের অর্গানিক সবজি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের পর্যবেক্ষক প্রতিষ্ঠান মারিয়ামের প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল মাসুম খান জানান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে লক্ষ লক্ষ বাঙালির বসবাস করে, সেই সকল বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের সাথে সমন্বয় করে বাংলাদেশ থেকে অর্গানিক সবজি উৎপাদন ও সংরক্ষণ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে রপ্তানি বৃদ্ধি করতে হবে, একই সাথে অর্গানিক সবজি উৎপাদন ও রপ্তানিতে সাবসিডিয়ারি দিতে হবে। তিনি আরও বলেন বাংলাদেশ থেকে তাজা সবজি সারা বছরই রপ্তানি হয়। তবে কিছু রপ্তানি হয় বিভিন্ন মৌসুমে। মৌসুমি সবজির ক্ষেত্রে দ্রুত পৌঁছানোর জন্য বিমানের ভাড়া কমাতে হবে ও কার্গো বিমানে সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Developed by : JM IT SOLUTION