1. Don.35gp@gmail.com : Editor Washington : Editor Washington
  2. masudsangbad@gmail.com : Dewan Arshad Ali Bejoy : Dewan Arshad Ali Bejoy
  3. jmitsolution24@gmail.com : Nargis Parvin : Nargis Parvin
  4. rafiqulmamun@yahoo.com : Rafiqul Mamun : Rafiqul Mamun
  5. rajoirnews@gmail.com : Subir Kashmir Pereira : Subir Kashmir Pereira
  6. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
  7. rafiqulislamakash@yahoo.it : Rafiqul Islam : Rafiqul Islam
  8. sheikhjuned1982@gmail.com : Sheikh Juned : Sheikh Juned
মহান মে দিবস ! - Washington Sangbad || washington shangbad || Online News portal
রবিবার, ০৯ মে ২০২১, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেশে করোনার ভারতীয় ধরন শনাক্ত : আইইডিসিআর কে পাবেন ‘জানাডু ২.০’ বাড়িটি -বিল না মেলিন্ডা ? নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ এসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল অনুষ্টিত স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী অনুপ ভট্টাচার্যর মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের শোক স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী অনুপ ভট্টাচার্যর মৃত্যুতে জাতীয় মানবাধিকার সমিতির শোক সাবেক প্রেমিকার কারণেই সংসার ভাঙল বিল গেটসের ! আব্দুস সামাদ আজাদের ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে ইউকেবিডি টিভির আলোচনা অনুষ্টান আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের লক্ষ্যে ২৫টি দেশের শতাধিক বাঙালি বৌদ্ধদের ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত বিচ্ছেদের ঘোষণা দিলেন বিল গেটস ও মেলিন্ডা গেটস যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী পরিবার পক্ষ থেকে সকলকে মহান মে দিবসের শুভেচ্ছা

মহান মে দিবস !

  • প্রকাশিত : শনিবার, ১ মে, ২০২১
  • ৬৮ জন সংবাদটি পড়েছেন।

“সভ্যতার প্রতিটি ইট,বালু,পাথরে যাদের ফোটা ফোটা ঘাম জড়িয়ে আছে তারা কিন্তু কখনোই সভ্যতার আশীর্বাদধন্য শ্রেনী ছিলনা,এখনো নয় “

‘দুনিয়ার মজদুর এক হও’ স্লোগান দেয়ার দিন পহেলা মে। বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের আন্তর্জাতিক সংহতি প্রকাশের এক ঐতিহাসিক গৌরবময় দিন আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস যা ‘মে দিবস’ নামেই অধিক পরিচিতি লাভ করেছে। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের ইতিহাসে এটি একটি স্মরণীয় দিন। মে দিবস শ্রমিকদের একটি বড় বিজয়। রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে শ্রমিকেরা বিজয়ের ইতিহাস রচনা করেছে।
আন্দোলনের উদযাপন দিবস। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শ্রমজীবী মানুষ এবং শ্রমিক সংগঠনগুলো রাজপথে সংগঠিতভাবে মিছিল ও শোভাযাত্রার মাধ্যমে দিবসটি পালন করে থাকে। বিশ্বের প্রায় ৮০টি দেশে ১ মে জাতীয় ছুটির দিন। আরও অনেক দেশে এটি বেসরকারিভাবে পালিত হয়।
আমেরিকা ও কানাডাতে অবশ্য সেপ্টেম্বর মাসে শ্রম দিবস পালিত হয়। সেখানকার কেন্দ্রীয় শ্রমিক ইউনিয়ন এবং শ্রমের নাইট এই দিন পালনের উদ্যোগতা। হে মার্কেটের হত্যাকান্ডের পর আমেরিকার তৎকালিন প্রেসিডেন্ট গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড মনে করেছিলেন ১ মে তারিখে যে কোন আয়োজন হানাহানিতে পর্যবসিত হতে পারে। সে জন্য ১৮৮৭ সালেই তিনি নাইটের সমর্থিত শ্রম দিবস পালনের প্রতি ঝুকে পড়েন।
পূর্বে শ্রমিকদের অমানবিক পরিশ্রম করতে হত, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা আর সপ্তাহে ৬ দিন। বিপরীতে মজুরী মিলত নগণ্য, শ্রমিকরা খুবই মানবেতর জীবনযাপন করত, ক্ষেত্রবিশেষে তা দাসবৃত্তির পর্যায়ে পড়ত। ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোশহরের একদল শ্রমিক দৈনিক ৮ ঘণ্টা কাজ করার জন্য আন্দোলন শুরু করেন, এবং তাদের এ দাবী কার্যকর করার জন্য তারা সময় বেঁধে দেয় ১৮৮৬ সালের ১লা মে। কিন্তু কারখানা মালিকগণ এ দাবী মেনে নিল না। ৪ঠা মে ১৮৮৬ সালে সন্ধ্যাবেলা হালকা বৃষ্টির মধ্যে শিকাগোর হে-মার্কেট নামক এক বাণিজ্যিক এলাকায় শ্রমিকগণ মিছিলের উদ্দেশ্যে জড়ো হন। তারা ১৮৭২ সালে কানাডায় অনুষ্ঠিত এক বিশাল শ্রমিক শোভাযাত্রার সাফল্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে এটি করেছিলেন। আগস্ট স্পীজ নামে এক নেতা জড়ো হওয়া শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলছিলেন। হঠাৎ দূরে দাড়ানো পুলিশ দলের কাছে এক বোমার বিস্ফোরন ঘটে, এতে এক পুলিশ নিহত হয়। পুলিশবাহিনী তৎক্ষনাত শ্রমিকদের উপর অতর্কিতে হামলা শুরু করে যা রায়টের রূপ নেয়। রায়টে ১১ জন শ্রমিক শহীদ হন। পুলিশ হত্যা মামলায় আগস্ট স্পীজ সহ আটজনকে অভিযুক্ত করা হয়। এক প্রহসনমূলক বিচারের পর ১৮৮৭ সালের ১১ই নভেম্বর উন্মুক্ত স্থানে ৬ জনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। লুইস লিং নামে একজন একদিন পূর্বেই কারাভ্যন্তরে আত্মহত্যা করেন, অন্যএকজনের পনের বছরের কারাদন্ড হয়। ফাঁসির মঞ্চে আরোহনের পূর্বে আগস্ট স্পীজ বলেছিলেন, “আজ আমাদের এই নি:শব্দতা, তোমাদের আওয়াজ অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী হবে”। ২৬শে জুন, ১৮৯৩ ইলিনয়ের গভর্ণর অভিযুক্ত আটজনকেই নিরপরাধ বলে ঘোষণা দেন, এবং রায়টের হুকুম প্রদানকারী পুলিশের কমান্ডারকে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত করা হয়। আর অজ্ঞাত সেই বোমা বিস্ফোরণকারীর পরিচয় কখনোই প্রকাশ পায়নি।
শেষ পর্যন্ত শ্রমিকদের “দৈনিক আট ঘণ্টা কাজ করার” দাবী অফিসিয়াল স্বীকৃতি পায়। আর পহেলা মে বা মে দিবস প্রতিষ্ঠা পায় শ্রমিকদের দাবী আদায়ের দিন হিসেবে, পৃথিবীব্যাপী আজও তা পালিত হয়।

বর্তমানে সমগ্র বিশ্বের মত আমাদের দেশেও মে দিবস পালন করাটা ফ্যাশানে পরিণত হয়েছে। মালিকপক্ষ বলেন শ্রমিকরা এ দিনটিতে ছুটি তো পাচ্ছে। এটা ঠিক যে সরকার দিনটিকে সরকারী ছুটি হিসেবে ঘোষণা করেছে। এ দিনটিতে রাষ্ট্রপতি, সরকার প্রধান ও সংসদের বিরোধী দলের প্রধানও বাণী দিয়ে থাকেন। শ্রম মন্ত্রণালয় আয়োজন করে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানমালা। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শ্রমিক সংগঠনগুলো বর্নাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করে থাকে। শ্রমিকরা (অবশ্যই কিছু সংখ্যক) নেচে-গেয়ে কিছু সময় আনন্দ করে। সহযোগী সংগঠন বা অঙ্গ সংগঠন যে নামেই হোক, কিছু শ্রমিক সংগঠন থাকলেও সেগুলো প্রকৃত শ্রমিকের প্রতিনিধিত্ব করে কি না তা শ্রমিকরাই ভালো জানেন। এ দিনটিতে প্রচার মাধ্যমগুলোর আয়োজনও থাকে চোখে পড়ার মত। তবে প্রকৃতার্থে মে দিবসের অর্জন কতখানি, আর শ্রমিকরা আদৌ তা কতটুকু অনুধাবন করছে তা নিঃসন্দেহে ভাববার বিষয়।
মে দিবস পালন যাতে ফ্যাশন থেকে সত্যিকার অর্থে শ্রমিকের দাবি ও অধিকার আদায়ের দিন হিসেবে পরিগণিত হয়, শ্রমিকরা যেন ন্যায্য মজুরি পায়, সরকারি ছুটি পায়, অতিরিক্ত শ্রমের জন্য প্রাপ্য অর্থ পায় সেসব দিকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও মন্ত্রণালয়গুলো নজর দিলেই সত্যিকার অর্থে মে দিবসের চেতনা বাস্তবে পরিণত হবে। শ্রমিকের কল্যাণই হোক আমাদের মূল লক্ষ্য।

দেওয়ান আরশাদ আলী(বিজয়)-

লেখক,সাংবাদিক,রাজনীতিবিদ,

সাংস্কৃতিক কর্মী

ওয়াশিংটন ডিসি  যুক্তরাষ্ট্র

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Developed by : JM IT SOLUTION